
Introduction: – WBP Constable GK Question Paper 2025
পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ কনস্টেবল পরীক্ষা রাজ্যের অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় সাফল্য অর্জনের জন্য সাধারণ জ্ঞান (GK) অংশটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সাধারণ জ্ঞান বিভাগে মূলত ভারতের ইতিহাস, ভূগোল, রাজনীতি, অর্থনীতি, বিজ্ঞান, চলতি ঘটনা এবং পশ্চিমবঙ্গ সম্পর্কিত তথ্য নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। এই WBP Constable GK Question Paper– wbp constable written question paper 2025 টি এমনভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে যাতে পরীক্ষার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ সব বিষয় সহজভাবে অনুশীলন করতে পারেন। প্রতিটি প্রশ্ন আপনার জ্ঞান যাচাই, সঠিকতা বৃদ্ধি এবং আত্মবিশ্বাস গঠনের জন্য সহায়ক হবে।
মনে রাখবেন — নিয়মিত চর্চা ও সঠিক প্রস্তুতিই সাফল্যের চাবিকাঠি। তাই মনোযোগ দিয়ে পড়ুন, বারবার অনুশীলন করুন, আর নিজের লক্ষ্য অর্জনে এগিয়ে চলুন।
Q1. ‘ইন্ডিগো বিদ্রোহ’ কোন সালে সংঘটিত হয়েছিল?
- (A) ১৮৫৭ সালে
- (B) ১৮৫৯ সালে
- (C) ১৮৬১ সালে
- (D) ১৮৬৫ সালে
সঠিক উত্তর (B) ১৮৫৯ সালে
ইন্ডিগো বিদ্রোহ বা নীল বিদ্রোহ সংঘটিত হয়েছিল ১৮৫৯ সালে এবং তা ১৮৬০ সাল পর্যন্ত স্থায়ী ছিল । এই বিদ্রোহের সূচনা হয় বাংলার নদীয়া জেলায়, যেখানে দিগম্বর বিশ্বাস ও বিষ্ণু বিশ্বাসের নেতৃত্বে কৃষকরা ব্রিটিশ নীলচাষীদের জন্য নীল চাষ করতে অস্বীকৃতি জানান ।
Q2. ‘হোম রুল লীগ’ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
- (A) বাল গঙ্গাধর তিলক
- (B) লালা লাজপত রায়
- (C) গোখলে
- (D) বিপিনচন্দ্র পাল
সঠিক উত্তর (A) বাল গঙ্গাধর তিলক
হোম রুল লীগ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন দুইজন — বাল গঙ্গাধর তিলক এবং অ্যানি বেসান্ট।১৯১৬ সালের এপ্রিলে বাল গঙ্গাধর তিলক মহারাষ্ট্রের বেলগাঁভ (বর্তমান বেলগাম) থেকে ‘ইন্ডিয়ান হোম রুল লীগ’ প্রতিষ্ঠা করেন।
পুরো দেশের সাধারণ মানুষের সমস্যা দূর করার জন্য ও ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য ১৯১৬ সালের সেপ্টেম্বরে অ্যানি বেসান্ট মাদ্রাজে আরেকটি ‘হোম রুল লীগ’ গঠন করেন।
উভয় সংগঠনের লক্ষ্য ছিল — ব্রিটিশ শাসনের ভিতরে থেকে ভারতের স্বশাসনের দাবি প্রতিষ্ঠা করা। এই আন্দোলন পরবর্তীকালে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে পরিণত হয় এবং দেশজুড়ে জাতীয় চেতনা জাগিয়ে তোলে।

Q3. “স্বরাজ আমার জন্মগত অধিকার”— উক্তিটি কার?
- (A) মহাত্মা গান্ধী
- (B) বাল গঙ্গাধর তিলক
- (C) সুভাষচন্দ্র বসু
- (D) লালালাজপত রায়
সঠিক উত্তর (B) বাল গঙ্গাধর তিলক
বাল গঙ্গাধর তিলক ছিলেন ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন প্রাথমিক নেতা এবং প্রখর সাংবাদিক। তিনি বিশ্বাস করতেন, দেশের মানুষকে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে জাগ্রত করতে হলে সরাসরি রাজনৈতিক সচেতনতা দিতে হবে। তার বিখ্যাত উক্তি “স্বরাজ আমার জন্মগত অধিকার” ভারতীয়দের মধ্যে স্বাধীনতার চেতনা জাগিয়েছিল।
তিলক ‘কেশরী’ (মারাঠি) এবং ‘মহারাষ্ট্র’ (ইংরেজি) পত্রিকার মাধ্যমে দেশের সাধারণ মানুষকে শিক্ষিত ও রাজনৈতিকভাবে সচেতন করতেন। এই পত্রিকাগুলি হোম রুল আন্দোলন, স্বরাজের ধারণা এবং ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক বার্তা প্রচারের শক্তিশালী মাধ্যম ছিল। তার উদ্যোগ ও সাহস পরবর্তীতে ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামের ভিত্তি দৃঢ় করেছিল।
Q4. ১৯৪২ সালের ‘ভারত ছাড়ো আন্দোলন’ এর মূল স্লোগান কী ছিল?
- (A) জয় হিন্দ
- (B) ডু অর ডাই
- (C) ইনকিলাব জিন্দাবাদ
- (D) বন্ধেমাতরম্
সঠিক উত্তর (B) ডু অর ডাই
১৯৪২ সালের ‘ভারত ছাড়ো আন্দোলন’ ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ ছিল। মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে এই আন্দোলন শুরু হয় ৮ আগস্ট ১৯৪২ সালে, আর এর মূল স্লোগান ছিল “ডু অর ডাই” এবং “ ব্রিটিশ ভারত ছাড়ো । আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল ব্রিটিশ শাসনের অবিলম্বে অবসান এবং ভারতের সম্পূর্ণ স্বাধীনতা অর্জন। কোন স্বায়ত্ব শাসনের উদ্দেশ্য ছিল না । এটি ছিল পূর্ণ স্বাধীনতা অর্জন।
এই সময়ে দেশজুড়ে ব্যাপক আন্দোলন, ধর্মঘট ও অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়। আন্দোলনকে দমন করতে ব্রিটিশরা অনেক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছিল। তবুও সাধারণ মানুষ শহর ও গ্রামে একত্রিত হয়ে স্বদেশের জন্য লড়াই চালিয়ে গিয়েছিল। এই আন্দোলন পরবর্তীকালে ভারতের স্বাধীনতার পথে শক্তিশালী ভূমিকা পালন করেছিল।
Q5 ‘রাউলাট আইন’ কোন সালে চালু হয়?
- (A) ১৯১৭
- (B) ১৯১৮
- (C) ১৯১৯
- (D) ১৯২০
সঠিক উত্তর (C) ১৯১৯
ব্রিটিশ ভারতের কালা আইন “রাউলাট আইন”- ১৯১৯ ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক প্রবর্তিত একটি দমনমূলক আইন। এটি সরকারকে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে সক্রিয়ভাবে প্রতিবাদী ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার ও ট্রায়াল ছাড়াই কারাদণ্ড দেওয়ার ক্ষমতা প্রদান করেছিল।
আইনটি ভারতের সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ সৃষ্টি করে। বিশেষ করে মহাত্মা গান্ধীসহ নেতারা এই আইনকে কঠোরভাবে প্রতিবাদ করেন। রাউলাট আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে বিভিন্ন স্থানে সত্যাগ্রহ, ধর্মঘট ও অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়।
Q6.”চৌরিচৌরা” হত্যা কান্ড কবে ঘটে?
- (A) ১৯২০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি
- (B) ১৯২১ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি
- (C) ১৯২২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি
- (D) ১৯২৩ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি
সঠিক উত্তর (C) ১৯২২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি
চৌরিচৌরা হত্যা কান্ড ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ১৯২২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি উত্তর প্রদেশের গোরক্ষপুর জেলার “চৌরিচৌরা গ্রামে” এই ঘটনা সংঘটিত হয়। কৌশলগতভাবে অসহযোগ আন্দোলনের সময় গ্রামে বিক্ষোভরত কৃষক ও সাধারণ মানুষ পুলিশ স্টেশনের উপর হামলা চালায়।
পুলিশ স্টেশন জ্বালিয়ে দেওয়া হয় – এতে ২২ জন নিরহ পুলিশ সদস্য নিহত হয় । এই ঘটনার পর মহাত্মা গান্ধী অসহযোগ আন্দোলন সাময়িকভাবে স্থগিত করেন, কারণ সহিংসতা তার নীতি বিরোধী ছিল। চৌরিচৌরা হত্যাকাণ্ড স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রাথমিক পর্যায়ে গণজাগরণ ও রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রতীক হিসেবে ইতিহাসে স্থান পায়।
Q7. Giant : Dwarf :: Genius : ?
- (A) fool
- (B) scholar
- (C) leader
- (D) thinker
সঠিক উত্তর (A) fool
giant এবং dwarf পরস্পরের বিপরীত; genius এবং fool ও বিপরীত অর্থ বহন করে।

Q8. একটি ট্রেন ৫ মিনিটে ৫ কিমি যায়। একই গতিতে ১৫ মিনিটে কত দূরত্ব অতিক্রম করবে?
- (A) ১ কিমি
- (B) ১৫ কিমি
- (C) ২০ কিমি
- (D) ২৫ কিমি
সঠিক উত্তর (B) ১৫ কিমি
ব্যাখ্যা: ৫ মিনিটে ৫ কিমি → ১ মিনিটে ১ কিমি → ১৫ মিনিটে ১৫ কিমি।
Q9. একটি বস্তুর দাম ২০% কমিয়ে বিক্রি করা হলে বিক্রেতা ৮ টাকা লোকসান করে। আসল দাম কত?
- (A) ৩০ টাকা
- (B) ৪০ টাকা
- (C) ৫০ টাকা
- (D) ৬০ টাকা
সঠিক উত্তর (B) 8০ টাকা
ব্যাখ্যা: লোকসান = মূলদ × ২০% → মূলদ = ৮ ÷ ০.২০ = ৪০? (চলুন ধাপে ধাপে হিসাব করি)
- Let CP = মূল দাম
- SP = 80% of CP = 0.8 × CP
- লোকসান = CP – SP = 0.2 × CP = 8 → CP = 8 / 0.2 = 40
সঠিক উত্তর: (B) ৪০ টাকা
Q10. একটি পাই এর ব্যাস ১৪ সেমি। এর পরিধি কত? (π = 22/7
- (A) 44 সেমি
- (B) 42 সেমি
- (C) 46 সেমি
- (D) 40 সেমি
সঠিক উত্তর (A) 44 সেমি
ব্যাখ্যা: পরিধি = 2πr = 2 × 22/7 × 7 = 44 সেমি
Q11. একটি নদীর গতি ৪ কিমি/ঘণ্টা। একটি নৌকা বিপরীত ধারায় ১২ কিমি দূরত্ব অতিক্রম করছে। সময় কত?
- (A) ২ ঘণ্টা
- (B) ৩ ঘণ্টা
- (C) ৪ ঘণ্টা
- (D) ৫ ঘণ্টা
সঠিক উত্তর (B) ৩ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা: সময় = দূরত্ব ÷ গতি = 12 ÷ 4 = 3 ঘণ্টা
Q12. একটি সংস্থা ৬০০০ টাকা মূলধন দিয়ে ব্যবসা শুরু করে। যদি ৩ মাস পরে ২০০০ টাকা আরও যোগ করা হয়, তাহলে পুরো বছরে গড় মূলধন কত হবে?
- (A) ৬০০০
- (B) ৭৫০০
- (C) ৬৭৫০
- (D) ৭০০০
সঠিক উত্তর (B) ৭৫০০
ব্যাখ্যা: 3 মাস 6000 টাকা + 9 মাস (6000+2000=8000) → গড় মূলধন = (6000×3 + 8000×9)/12 = (18000 + 72000)/12 = 90000/12 = 7500? আসুন ধাপে ধাপে:
- 3 মাস × 6000 = 18000
- 9 মাস × 8000 = 72000
- যোগফল = 90000
- গড় = 90000 ÷ 12 = 7500 ✅

Q13. একজন ব্যক্তি ১৫০ কিমি দূরত্ব ৫ ঘণ্টায় হেঁটে যায়। প্রথম ৩ ঘণ্টায় সে প্রতি ঘন্টায় ২০ কিমি হেঁটে, বাকি সময়ে প্রতি ঘন্টায় কত কিমি হেঁটেছে?
- (A) ২০ কিমি
- (B) ২৫ কিমি
- (C) ৩০ কিমি
- (D) ৪৫ কিমি
সঠিক উত্তর (D) ৪৫ কিমি
ব্যাখ্যা: প্রথম ৩ ঘন্টায় = 3×20=60 কিমি → বাকি দূরত্ব = 150-60=90 কিমি → বাকি সময়=5-3=2 ঘণ্টা → গতি=90/2=45?
সঠিক হিসাব: 90/2=45
উত্তর: 45 কিমি ✅
Q14. ২০২৪ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার কোন সংস্থাকে প্রদান করা হয়েছিল?
- (A) International Committee of the Red Cross
- (B) United Nations
- (C) Nihon Hidankyo
- (D) Amnesty International
সঠিক উত্তর (C) Nihon Hidankyo
২০২৪ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়েছিল “Nihon Hidankyo” (Japan Confederation of A- and H-Bomb Sufferers Organizations) সংস্থাকে। এই সংস্থা পারমাণবিক অস্ত্রের বিরুদ্ধে লড়াই করছে এবং পারমাণবিক হামলার শিকার হওয়া ব্যক্তিদের অধিকার রক্ষায় কাজ করছে। তাদের কাজের মূল লক্ষ্য হল পারমাণবিক অস্ত্র নির্মূল করা এবং বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা।
নিহন হিদানক্যো একটি জাপানি সংস্থা, যা পারমাণবিক অস্ত্রের শিকারদের অধিকার রক্ষায় কাজ করছে। ২০২৪ সালে তাদের সাহসিকতা এবং পারমাণবিক অস্ত্রের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য এই সম্মান প্রদান করা হয়। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, যা বিশ্বের নিরাপত্তা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখবে।
এটি ২০২৪ সালের শান্তি পুরস্কারের বিশাল অর্জন এবং পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।
Q15. ২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী মারিয়া করিনা মাচাডো কোন দেশের নাগরিক?
- (A) ব্রাজিল
- (B) কলম্বিয়া
- (C) ভেনেজুয়েলা
- (D) আর্জেন্টিনা
সঠিক উত্তর (C) ভেনেজুয়েলা
২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী মারিয়া করিনা মাচাডো ভেনেজুয়েলার নাগরিক। তিনি দেশের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে আসছেন। ভেনেজুয়েলায় মানবাধিকার রক্ষায়, নাগরিক স্বাধীনতার জন্য এবং রাজনৈতিক দুর্নীতি প্রতিরোধে তার অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ, তাকে ২০২৫ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
মারিয়ার সংগ্রাম ও নেতৃত্ব আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মানুষের স্বাধীনতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি অনুপ্রেরণার প্রতীক। তার কর্মজীবন প্রমাণ করে যে ব্যক্তিগত সাহস ও প্রতিশ্রুতি বিশ্বকে বদলে দিতে সক্ষম।

Q16. ২০২৪ সালের নোবেল সাহিত্য পুরস্কার বিজয়ী “হান কাং” কোন দেশের লেখিকা?
- (A) দক্ষিণ কোরিয়া
- (B) জাপান
- (C) চীন
- (D) থাইল্যান্ড
সঠিক উত্তর (A) দক্ষিণ কোরিয়া
২০২৪ সালের নোবেল সাহিত্য পুরস্কার বিজয়ী হন মিস হান কাং দক্ষিণ কোরিয়ার লেখিকা।ম্যাডাম হান কাং-এর সাহিত্যকর্মে মানব জীবনের ভঙ্গুরতা, মানসিক ব্যথা ও ঐতিহাসিক ট্রমা গভীরভাবে ফুটে ওঠে। তার জীবনের উত্থান পতন সুখ দুখের কাহিনী তার লেখার মাধ্যমে ফুটে তোলেন । এটা তার বিরল প্রতিভা ।
তার উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে “The Vegetarian” এবং “Human Acts” অন্তর্ভুক্ত, যা আন্তর্জাতিক সাহিত্য জগতে বিশেষ মর্যাদা অর্জন করেছে। সাহিত্যে তার অবদান ও মানবিক মনোভাবের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৪ সালে তিনি নোবেল সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত হন। হান কাং-এর লেখা বিশ্বব্যাপী পাঠক ও সমালোচকদের মধ্যে প্রশংসিত।
Q17. ২০২৫ সালের নোবেল সাহিত্য পুরস্কার বিজয়ী “লাসলো ক্রাসনাহোরকাই” কোন দেশের লেখক?
- (A) হাঙ্গেরি
- (B) পোল্যান্ড
- (C) রাশিয়া
- (D) চেক প্রজাতন্ত্র
সঠিক উত্তর (A) হাঙ্গেরি
২০২৫ সালের নোবেল সাহিত্য পুরস্কার বিজয়ী লাসলো ক্রাসনাহোরকাই হাঙ্গেরির একজন প্রখ্যাত লেখক। স্যার ক্রাসনাহোরকাই-এর সাহিত্যকর্মের মূল বৈশিষ্ট্য হলো জটিল প্লট, দার্শনিক গভীরতা এবং মানব জীবনের অন্ধকার দিকের অন্বেষণ।
তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে “Satantango”, “The Melancholy of Resistance” এবং “Seiobo There Below” অন্তর্ভুক্ত। সাহিত্যে তার অবদান ও শিল্পের শক্তিকে পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য ২০২৫ সালে তিনি নোবেল সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। ক্রাসনাহোরকাই-এর লেখা আন্তর্জাতিক পাঠক ও সমালোচকদের মধ্যে প্রশংসিত।



