Current wbp exam mcq questions 2025

Current wbp exam mcq questions 2025

Introduction : WBP কনস্টেবল প্রস্তুতি: আপনার সঠিক পথনির্দেশ

পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকরির স্বপ্ন দেখেন অনেক প্রার্থী। সঠিক প্রস্তুতি, পরিকল্পনা এবং নিয়মিত প্র্যাকটিসের মাধ্যমে সফল হওয়া সম্ভব। এই ব্লগ পোস্টে আমরা WBP কনস্টেবল পরীক্ষার সিলেবাস, গাণিতিক দক্ষতা, সাধারণ জ্ঞান, রিজনিং, মক টেস্ট ও পূর্ববর্তী প্রশ্নপত্র নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। Current wbp exam mcq questions 2025

এছাড়াও, এটি পশ্চিমবঙ্গ এবং ভারতের অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্যও সহায়ক, যেমন WBCS, WBSSC, SSC, রেলওয়ে, ব্যাংক এবং পুলিশ পরীক্ষা। নিয়মিত পড়াশোনা এবং পরিকল্পিত প্রস্তুতির মাধ্যমে আপনার স্বপ্নের চাকরিতে পৌঁছানো সহজ হবে।

Q1. ISRO-এর পূর্ণরূপ কী?

  • (A) Indian Space Research Organization
  • (B) Indian Satellite Research Organization
  • (C) International Space Research Organization
  • (D) Indian Space Rocket Organization

সঠিক উত্তর (A) Indian Space Research Organization

ISRO হলো ভারতের প্রধান মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। এটি মহাকাশ প্রযুক্তি এবং উপগ্রহ ব্যবস্থাপনায় অগ্রণী ভূমিকা রাখে। এটি ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল প্রফেসর ডঃ বিক্রম সারাভাই-এর নেতৃত্বে। ISRO-এর মূল লক্ষ্য হলো মহাকাশ প্রযুক্তি ব্যবহার করে দেশের উন্নয়ন, যেমন যোগাযোগ, রিমোট সেনসিং, আবহাওয়া পূর্বাভাস, এবং দূরশিক্ষা।

এছাড়াও ISRO আন্তর্জাতিকভাবে উপগ্রহ লঞ্চিং সেবা প্রদান করে এবং বিভিন্ন মহাকাশ মিশন, যেমন চন্দ্রায়ান ও মঙ্গল মিশন সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। এটি ভারতকে মহাকাশে স্বনির্ভর করে তুলেছে এবং বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে দেশের গর্বের প্রতীক।

Q2. ISRO-এর সদর দফতর কোথায় অবস্থিত?

  • (A) চেন্নাই
  • (B) দিল্লি
  • (C) বেঙ্গালুরু
  • (D) হায়দ্রাবাদ

সঠিক উত্তর (C) বেঙ্গালুরু

ইসরো (ISRO) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৯ সালের ১৫ আগস্ট- এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন ড. বিক্রম সারাভাই । প্রাথমিকভাবে এটি -“Indian National Committee for Space Research” (INCOSPAR) – ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে । ইসরোর (ISRO) সদর দফতর বেঙ্গালুরুতে নানান মহাকাশ মিশন, রকেট ও স্যাটেলাইট পরিকল্পনা, উন্নয়ন এবং ব্যবস্থাপনা করা হয়। এখানে PSLV, GSLV এবং অন্যান্য লঞ্চ প্রোগ্রামের পরিকল্পনা ও পর্যবেক্ষণ করা হয়। এটি ভারতের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতির প্রতীক এবং আন্তর্জাতিকভাবে মহাকাশ গবেষণায় ভারতের অবস্থান দৃঢ় করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

Current wbp exam mcq questions 2025

Q3. ISRO-এর প্রথম স্যাটেলাইট কোনটি ?

  • (A) INSAT-1A
  • (B) Aryabhata
  • (C) Rohini
  • (D) GSAT-6

সঠিক উত্তর (B) Aryabhata

ISRO-এর প্রথম স্যাটেলাইট ছিল আর্যভট্ট। ১৯ এপ্রিল ১৯৭৫ সালে রাশিয়ার ROSKOSMOS থেকে লঞ্চ করা হয়েছিল। এই স্যাটেলাইটটির নাম প্রাচীন ভারতীয় গণিতজ্ঞ এবং জ্যোতির্বিজ্ঞানী আর্যভট্টের নামে রাখা হয়। Aryabhata মূলত যোগাযোগ এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য তৈরি করা হয়েছিল।

এটি মহাকাশে ভারতের প্রাথমিক প্রযুক্তি সক্ষমতা প্রদর্শন করেছিল। যদিও প্রথম প্রচেষ্টায় কিছু প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দেয়, তবুও Aryabhata ভারতের মহাকাশ গবেষণায় আত্মবিশ্বাস এবং ভবিষ্যতের মিশনের ভিত্তি স্থাপন করে। এই স্যাটেলাইটের লঞ্চের মাধ্যমে ভারত আন্তর্জাতিক মহাকাশ মানচিত্রে নিজের উপস্থিতি প্রতিষ্ঠা করে।

Q4. চাঁদ অভিযান “চন্দ্রায়ান-1” কোন বছরে লঞ্চ করা হয়েছিল?

  • (A) 2005
  • (B) 2008
  • (C) 2010
  • (D) 2012

সঠিক উত্তর (B) 2008

ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর চন্দ্রায়ান-1 ভারতের প্রথম চাঁদ মিশন ২০০৮ সালের ২২ অক্টোবর ভারতীয় সময় সকাল ৬:২২ মিনিটে শ্রীহরিকোটা, অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়। উৎক্ষেপণের পর এটি সঠিকভাবে চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করে ৮ নভেম্বর ২০০৮ সালে।

মিশনের মূল লক্ষ্য ছিল চাঁদের ভূগোল, খনিজ পদার্থ, এবং জল-বস্তুর অনুসন্ধান। চন্দ্রায়ান-1 ভারতের মহাকাশ ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত। এই সফল অভিযান ভারতের মহাকাশ প্রযুক্তিকে আন্তর্জাতিক স্তরে স্বীকৃতি এনে দেয় এবং ভবিষ্যতের চন্দ্র মিশনের ভিত্তি স্থাপন করে।

Q5. ইসরোর “চন্দ্রায়ান-২” মিশনটি কোন বছরে লঞ্চ করা হয়েছিল?
  • (A) 2017
  • (B) 2018
  • (C) 2019
  • (D) 2020

সঠিক উত্তর (C) 2019

ইসরোর (ISRO) চন্দ্রায়ান-২ মিশন ২০১৯ সালের ২২ জুলাই উৎক্ষেপণ করা হয়। এটি সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার, শ্রীহরিকোটা থেকে GSLV Mk III-M1 রকেটে পাঠানো হয়। মিশনের উপাদান ছিল একটি অর্বিটার, ভিক্রম ল্যান্ডার, এবং প্রজ্ঞান রোভার। মূল লক্ষ্য ছিল চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলের গবেষণা ও ম্যাপিং করা।

ল্যান্ডারের সফট ল্যান্ডিং ব্যর্থ হলেও অর্বিটার সফলভাবে কাজ করছে এবং মহাকাশ থেকে গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক তথ্য প্রেরণ করছে। মিশনটি ভারতের মহাকাশ গবেষণায় একটি বড় মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত এবং ভবিষ্যতের চাঁদ অভিযানগুলোর জন্য ভিত্তি স্থাপন করেছে।

Current wbp exam mcq questions 2025
Q6. ইসরোর “চন্দ্রায়ান-৩” মিশনটি কোন তারিখে লঞ্চ করা হয়েছিল?
  • (A) ১৪ জুলাই ২০২৩
  • (B) ২২ অক্টোবর ২০০৮
  • (C) ২৩ আগস্ট ২০২৩
  • (D) ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯

সঠিক উত্তর (A) ১৪ জুলাই ২০২৩

ইসরোর (ISRO) “চন্দ্রায়ান-৩ মিশন ২০২৩ সালের ১৪ জুলাই” লঞ্চ করা হয়। এটি সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার, শ্রীহরিকোটা থেকে LVM3-M4 রকেটে পাঠানো হয়। মিশনের মূল লক্ষ্য ছিল চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে সফট ল্যান্ডিং করা

মিশনটি ২৩ আগস্ট ২০২৩-এ সফলভাবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে ল্যান্ডিং সম্পন্ন করে। চন্দ্রায়ান-৩ ভারতকে চাঁদে ল্যান্ডিং সফল করার দ্বিতীয় দেশ হিসেবে আন্তর্জাতিক মানচিত্রে স্থাপন করেছে। এই অভিযান ভারতের মহাকাশ প্রযুক্তিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে এবং ভবিষ্যতের চাঁদ মিশনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক তথ্য সংগ্রহ করেছে।

Q7. ইসরোর “চন্দ্রায়ান-৪” মিশন কবে লঞ্চ করা হবে?

  • (A) ২০২৩
  • (B) ২০২৪
  • (C) ২০২৭
  • (D) ২০২৮

সঠিক উত্তর (C) ২০২৭

ইসরোর চন্দ্রায়ান-৪ মিশন ২০২৭ সালের অক্টোবর মাসে উৎক্ষেপণ করার পরিকল্পনা রয়েছে। মিশনের মূল লক্ষ্য চাঁদের দক্ষিণ মেরু থেকে প্রায় ৩ কেজি লুনার রেগোলিথ সংগ্রহ করে পৃথিবীতে আনা। এটি PSLV ও LVM3 রকেটের মাধ্যমে দুটি পৃথক উৎক্ষেপণের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। মিশনে উন্নত ডকিং প্রযুক্তি, রোবটিক সিস্টেম, এবং উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন প্রপালশন ব্যবহার করা হবে।

সবকিছু ঠিক ঠাক থাকলে আগামী ২০৪০ সালের মধ্যে ইসরো চাঁদে মানুষের পাঠানোর প্রস্তুতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে কাজ করবে। এটি ভারতের মহাকাশ গবেষণায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং আন্তর্জাতিক মানচিত্রে ভারতের অবস্থান শক্তিশালী করবে।

Q8. অ্যান্টার্কটিকায় ভারতের প্রথম গবেষণা স্টেশন কোনটি?

  • (A) মৈত্রি
  • (B) ভারতী
  • (C) দক্ষিণ গঙ্গোত্রি
  • (D) হিমাদ্রি

সঠিক উত্তর (C) দক্ষিণ গঙ্গোত্রি

ভারতের অ্যান্টার্কটিকায় প্রথম গবেষণা স্টেশন হলো দক্ষিণ গঙ্গোত্রী। এটি ১৯৮৩ সালে স্থাপিত হয়। এটি ভারতের প্রথম স্থায়ী বৈজ্ঞানিক কেন্দ্র। পরে ভারত আরও দুটি স্টেশন তৈরি করে, যার নাম মৈত্রি এবং ভারতী। এই দুটি স্টেশন বর্তমানে সক্রিয় এবং গবেষণার কাজে ব্যবহার হচ্ছে। দক্ষিণ গঙ্গোত্রী প্রথম হওয়ায় এর বৈজ্ঞানিক গুরুত্ব অনেক বেশি।

এই স্টেশন থেকে সমুদ্রবিজ্ঞান, জলবায়ু পরিবর্তন, বরফ এবং ভূ-তাত্ত্বিক গবেষণা করা হয়। ভারতের গবেষকরা এখানে বিভিন্ন পরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণ চালাচ্ছেন। দক্ষিণ গঙ্গোত্রী ভারতের অ্যান্টার্কটিক গবেষণার ভিত্তি স্থাপন করেছে এবং ভবিষ্যতের স্টেশনগুলোর জন্য দিকনির্দেশনা দেয়।

Current wbp exam mcq questions 2025

Q9. ভারতের অ্যান্টার্কটিকায় দ্বিতীয় গবেষণা স্টেশনের নাম কী?

  • (A) দক্ষিণ গঙ্গোত্রী
  • (B) মৈত্রি
  • (C) ভারতী
  • (D) হিমাদ্রি

সঠিক উত্তর (B) মৈত্রি

ভারতের অ্যান্টার্কটিকায় দ্বিতীয় গবেষণা কেন্দ্রের নাম হলো মৈত্রি। প্রথম স্থায়ী কেন্দ্র ছিল দক্ষিণ গঙ্গোত্রী, যা ১৯৮৩ সালে স্থাপিত হয়েছিল। পরবর্তীতে ১৯৮৯ সালে মৈত্রি নামের দ্বিতীয় স্থায়ী গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়। এটি ভারতের বৈজ্ঞানিক কার্যক্রম সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মৈত্রি স্টেশন থেকে সমুদ্রবিজ্ঞান, জলবায়ু পরিবর্তন, বরফের গঠন এবং ভূ-তাত্ত্বিক গবেষণা পরিচালনা করা হয়।

বর্তমানে এটি সক্রিয় এবং নিয়মিত বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণ চালাচ্ছে। মৈত্রি ভারতের অ্যান্টার্কটিক গবেষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত। এটি ভবিষ্যতের গবেষণার জন্য দিকনির্দেশনা এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করে।

Q10. ভারতের অ্যান্টার্কটিকায় তৃতীয় গবেষণা স্টেশনের নাম কী?
  • (A) দক্ষিণ গঙ্গোত্রী
  • (B) মৈত্রি
  • (C) ভারতী
  • (D) হিমাদ্রি

সঠিক উত্তর (C) ভারতী

ভারতের অ্যান্টার্কটিকায় তৃতীয় গবেষণা কেন্দ্র হলো ভারতী এটি ২০১২ সালের ১৮ মার্চ স্থাপন করা হয়। এটি লারসেমান পাহাড়ের কাছে অবস্থিত । এই স্টেশন মূলত সমুদ্রবিজ্ঞান এবং জলবায়ু সংক্রান্ত গবেষণার জন্য ব্যবহার করা হয়। ভারতী থেকে সমুদ্রজীবন, বরফের স্তর এবং জলবায়ু পরিবর্তনের তথ্য সংগ্রহ করা হয়।

স্টেশনটি আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে পরিচালিত হয় এবং গবেষকরা এখানে নিয়মিত পরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণ চালাচ্ছেন। ভারতী ভারতের অ্যান্টার্কটিক গবেষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র এবং ভবিষ্যতের বৈজ্ঞানিক মিশনের জন্য দিকনির্দেশনা প্রদান করে।

Current wbp exam mcq questions 2025
Q11. ভারতের অ্যান্টার্কটিকায় চতুর্থ গবেষণা স্টেশনের নাম কী?
  • (A) ভারতী
  • (B) মৈত্রি-২
  • (C) দক্ষিণ গঙ্গোত্রী
  • (D) হিমাদ্রি

সঠিক উত্তর (B) মৈত্রি-২

ভারত বর্তমানে অ্যান্টার্কটিকায় তার গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণের জন্য “মৈত্রী ২” নামে একটি আধুনিক নতুন স্টেশন নির্মাণের প্রকল্প শুরু করেছে। এটি মূল মৈত্রী কেন্দ্রের উন্নত সংস্করণ হিসেবে পরিকল্পিত হয়েছে এবং সাম্প্রতিক প্রযুক্তি ও সুবিধা নিয়ে সজ্জিত হবে। নতুন এই স্টেশনটি বৈজ্ঞানিক গবেষণা, জলবায়ু পর্যবেক্ষণ এবং পরিবেশগত অধ্যয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

আশা করা হচ্ছে, ২০২৯ সালের মধ্যে “মৈত্রী ২” সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত হয়ে কার্যক্রম শুরু করবে। এর মাধ্যমে ভারতের অ্যান্টার্কটিক গবেষণায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে এবং আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে সহযোগিতা আরও দৃঢ় হবে।

Q12. পৃথিবীর উত্তর মেরুতে ভারতের গবেষণা কেন্দ্রের নাম কী?
  • (A) হিমবীণা
  • (B) ইন্ডিকা
  • (C) বরফরাজ
  • (D) হিমাদ্রি

সঠিক উত্তর (D) হিমাদ্রি

ভারতের উত্তর মেরুতে গবেষণা কেন্দ্রের নাম “হিমাদ্রি”। এটি নরওয়ের সহযোগিতায় ২০০৮ সালে স্পিটজ়বার্গেন দ্বীপে স্থাপিত হয় । হিমাদ্রি কেন্দ্র মূলত উত্তর মেরুর বরফ গলা, গ্লেসিয়ারের ভারসাম্য এবং জীববৈচিত্র্য সম্পর্কিত গবেষণা করে।

এখানে বিজ্ঞানীরা জলবায়ু পরিবর্তন, বরফপাতের মাত্রা, সামুদ্রিক জীবন ও পরিবেশগত প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত অধ্যয়ন করেন। হিমাদ্রি ভারতের উচ্চ অক্ষাংশে পরিচালিত গবেষণার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এর মাধ্যমে ভারতের বৈজ্ঞানিক সম্প্রদায়কে উত্তর মেরু অঞ্চলের পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদ সম্পর্কে সঠিক তথ্য সংগ্রহে সহায়তা করে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top